আজ
|| ৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
লৌহজং চেয়ারম্যান আর দলীয় পদের জোড়ে অন্যের জমিতে তৈরী করেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি
প্রকাশের তারিখঃ ২৮ আগস্ট, ২০২৪
তিনি চেয়ারম্যান, তিনি আওয়ামী লীগের ইউপি পরিষদ সেক্রেটারী। পর পর তিন বার তিনি আওয়ামী লীগের ক্ষমতা বলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে দুই বারই তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ শাসন আমলে তিনি জোর জুলুম করে দখল করে নেন মানুষের জায়গা জমি। ক্ষমতায় থাকার কারণে তিনি কাউকে পাত্তায়ই দিতেন না। অথচ সরকার পতনের পর তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। তিনি হচ্ছেন লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোজ্জাম্মেল হক।
চেয়ারম্যান মোজ্জাম্মেল হকের প্রতিবেশী কাজী সোলেমান এর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন মো. মোজাম্মেল হক তাদের পত্রিক সম্পত্তি দখন করে নির্মাণ করেছেন বিশাল অট্টালিকা। জোর করে তাদের জমিতে তৈরী করেছেন রাস্তা। শিমুলিয়া মৌজার আর এস ২০৫ ও ২০৬ নং দাগে ২১ ও ৪ শতক জমি তাদের। কিন্তু রেকর্ডে কিছুটা ভূল থাকায় তারা মুন্সীগঞ্জে দেওয়ানী আদালতে মামলা করে ২০১৬ সালে তাদের অনুকুলে রায় পান। এ খবর জানতে পেরে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক তাদের পত্রিক সম্পত্তির ২৯ শতাংশ জমি থেকে একটি অংশ জোর করে দখল করে নেন। সেখানে সে নির্মাণ করেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। আমরা তার কাছে আমাদের জমি ফেরৎ চাইলে আমাদেরকে তিনি কোন পাত্তাই দেননি। আমরা আমাদের জমি ফেরৎ পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চেয়ারম্যানের বাড়ির ভেতরে সরকারী সম্পত্তিসহ আরও কয়েক জনের জমি রয়েছে। এক বক্তির ৯৬ শতক জমি চেয়ারম্যান দখল করে রেখেছে। ক্ষমতার জোড়ে সে এসকল জমি দখল করে নিয়েছে। এক দিকে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও অপর দিকে তিনি চেয়ারম্যান তাই তার কাছে পাত্তায়ই পায়নি এসব ভূক্তভোগী। এখন ক্ষতা নেই। গা ঢাকায় দিয়েছেন চেয়ারম্যান। ভূক্তভোগীরা এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে। এসকল লোকজন তাদের জমি ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করছে।
এছাড়া তিনি ক্ষমতার বলে বিআইডব্লিউএ’র শিমুলিয়া ঘাটের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেন। কিন্তু গত বছর বিআইডবিউটিএ সে ওয়াল ভেঙে দিলে তিনি ক্ষমতার বলে নিজস্ব লোকজন নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর লোকজনের প্রতি আক্রমনের চেষ্টা চালায়। দীঘ দিন তিনি চুপ থাকলেও এখন আবার তিনি সেই খানে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করছেন।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের নাম্বারের একাধিক বার ফোন দিয়ে মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

Copyright © 2026 Munshi Ganjer Khobor. All rights reserved.