আজ
|| ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
কয়েকদিনে ডেঙ্গুর দাপট কমছে না
প্রকাশের তারিখঃ ৬ নভেম্বর, ২০২৪
গেল কয়েকদিনে শুধু মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৪৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। এ বছর এখন পর্যন্ত শুধু মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ৪৬০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। শুধু অক্টোবর মাসে ২৪২ জন ডেঙ্গু রোগী মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
একই হাসপাতালে সেপ্টেম্বর মাসে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪৮ জন। এ ছাড়া এ বছর জানুয়ারি মাসে ৮ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ১ জন, মার্চ মাসে ১ জন, মে মাসে ৭ জন , জুন মাসে ৬ জন ,জুলাইয়ে ১৩ জন, আগস্ট মাসে ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। ভর্তির বাইরেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ। জেনারেল হাসপাতাল ছাড়াও মুন্সীগঞ্জের ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে বৃদ্ধি পেয়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এ বছর চিকিৎসা নিয়েছেন শতাধিক ডেঙ্গু রোগী।
এদিকে গ্রাম এলাকায় মশক নিধনে কোনো কার্যক্রম নেই বললেই চলে। তবে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষও উদাসীন আর রোগী নিয়ে চিকিৎসাকরা হিমশিম খাচ্ছে। বিছানার অভাবে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। সদরের মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ইসলামপুর ও মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা মিরকাদিম পৌরসভার মাঝখানের পঞ্চসার এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি। এসব এলাকায় সড়ক, মাঠ-ঘাট, বাড়ির আঙ্গিনাসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি আর আবর্জনা মশা তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বড় অভাবে খোদ জেলা শহরের প্রধান সড়কের আশপাশেও ময়লার ভাগারের সৃষ্টি হয়েছে।
মাত্র ১০ দশমিক ৮৫ কিলোমিটারের মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় মশা নিধনে তেমন কার্যক্রম না থাকায় অনেক এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আর পাশের মিরকাদিম ও পঞ্চাসারের অবস্থা আরও নাজুক। এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ মানুষ।
Copyright © 2026 Munshi Ganjer Khobor. All rights reserved.