সূত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই সকাল ১০টার দিকে গজারিয়ার বড় কালীপুরা এলাকায় মেঘনা নদীর পাড়ে প্রতিপক্ষ লালু-পিয়াস গ্রুপের গুলিতে নিহত হন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শুটার মান্নান। এ সময় হৃদয় বাঘসহ ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন, যাদের মধ্যে হৃদয়ের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তার শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন ছিল বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, নদীতে অবৈধ বালু ব্যবসা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে শত্রুতা সৃষ্টি হয়, যার জেরে প্রতিপক্ষ লালু ও নৌ ডাকাত নয়ন-পিয়াস গ্রুপের সদস্যরা এই হামলা চালিয়েছে।গজারিয়া থানা জানায়, ঘটনার পরদিন ২৯ জুলাই শুটার মান্নানের স্ত্রী সুমি আক্তার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় হোগলাকান্দি গ্রামের সাজেদুল হক লালুকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়।গজারিয়া থানার ওসি মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, হৃদয়ের মৃত্যুর বিষয়ে তার স্বজনরা থানায় খবর দিয়েছে, এবং তিনি ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।