আজ
|| ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
শ্রীনগর উপজেলা প্রকৌশলীর ততপরতায় অবশেষে কাটতে যাচ্ছে ঝুমুর হল সড়কের ভেগান্তি
প্রকাশের তারিখঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শ্রীনগর সদর এলাকার পাটাভোগ ও শ্রীনগর ইউনিয়নের সীমানাবর্তী ঝুমুর সিনেমা হল রোড হিসেবে পরিচিত এলজিই-ি ডর পাকা সড়কটি সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছইলো। শ্রীনগর বাজার সংলগ্ন সেতু মোড় থেকে পুরাতন ফেরী ঘাট বঙ্গবন্ধু এপ্রেসওয়ে পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক খান-বিন্দে ভরে গেছে। এ অবস্থায় বৃষ্টির পানি জমে ভাঙ্গাচুরা সড়কটির আরো নাজুক হয়ে পড়েছে। সড়কের ভাঙ্গাচুরা গর্তে জলাবদ্ধতায় যান চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কাও। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটির বেহাল দশায় হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অপরদিকে শ্রীনগর বাজার সেতু সংলগ্ন সড়কটির মোড়ে (কৃষি ও সোনালী ব্যাংকের সামনে) যত্রতত্রভাবে ইজিবাইক স্ট্যান্ড গড়ে উঠায় প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শ্রীনগর সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন মোড় থেকে পুরাতন ফেরী ঘাট (মাশুরগাঁও) ঢাকা-মাওয়া-খুলনা এখপ্রেসওয়ে পর্যন্ত খানাখন্দে ভরা সড়কটির বেহাল দশা। রাজরানী কমিউনিটি সেন্টার, সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, ঝুমুর সিনেমা হল সংলগ্ন সড়কের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে
বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির ফলে যান চলাচলা ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অটোরিখ, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য গাড়ি চালকদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংস্কারের অভাবে সড়কটি দিনদিন বেহাল হয়ে পড়ছে। এছাড়া পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতাসহ সড়ক জুড়ে। কাঁদামাটি জমে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে গেছে। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী। পাটাভোগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ্ খান মুন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদে না আসায় পাটাভোগ ইউনিয়নের বাসিন্দারা রাস্তা সংস্কারের দাবি সহ অন্যান্য কাজেওও ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
অবশেষে শ্রীনগর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃমহিফুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনেক বছর পর উক্ত রাস্তাটি সংস্কারের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।প্রকৌশলী মোঃ মহিফুল ইসলাম এই রাস্তার দু ধারে বাড়িগুলোর পানি নিষ্কাসন ব্যাবস্থা ঠিক রাখার আহবান জানান।এছাড়া বাড়ির সামনের রাস্তায় খানাখন্দ যাতে তৈরী না হয় সে বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মহিফুল ইসলাম জানান, জিওভি মেন্টেনেন্সের অনুমোদন হয়েছে খুব শীঘ্রই টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে।
Copyright © 2026 Munshi Ganjer Khobor. All rights reserved.