আজ
|| ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
শ্রীনগরে রাস্তার অভাবে ১৫টি পরিবারের ভোগান্তি
প্রকাশের তারিখঃ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে রাস্তার অভাবে ১৫টি পরিবারের অন্তত শতাধিক মানুষের হাট চলাফেরায়
ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। ওই এলাকার কাদিরকান্দা আরসিসি সড়কের জাপানীবাড়ি সংলগ্ন সংযোগ রাস্তাটির দৈর্ঘ প্রায় সাড়ে ৩শত’ ফুট। অথচ ঢালাই সড়কের অংশে জাপানীবাড়ি ও মোল্লাবাড়ির সীমানার মাঝখানটায় প্রায় ২০/২৫ ফুট জায়গা আটকানোর ফলে এতটাই সরু হয়ে গেছে একজন মানুষের পক্ষে হেঁটে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। এদিকে সরু রাস্তার দুই বাড়ির সীমানায় রাস্তার ওপরে রয়েছে দুটি গাছ। রাস্তার পাশ দিয়ে দিয়ে রাখা হয়েছে বাঁশের বেড়া। এতে মানুষের চলাচলে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কাদিরকান্দা আরসিসি সড়কের আলমগীর খান ও শাজাহান মোল্লার বাড়ির সীমানা দিয়ে পশ্চিমদিকে হানু
মোল্লার বসতবাড়ি পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩শত’ ফুটের একটি রাস্তা রয়েছে। এখানে প্রায় ১৫টি পরিবারের বসবাস। অথচ রাস্তাটির পূর্বদিকে কাদিরকান্দা
আরসিসি সড়কের সংযোগ স্থলের দুটি বাড়ির সীমায় রাস্তার ওপর গাছের উপস্থিতি ও পাশে বেড়া থাকায় যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়রা
বলছেন, জাপানীবাড়ির আলমগীর খান বলেছেন শার্শ্ববর্তী শাজাহান মোল্লা যদি রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ে আমিও ছাড়বো। এর মধ্যে শাজাহান মোল্লা বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে রেখেছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় হলেও মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা
উন্মুক্ত রাখা দরকার। প্রতিবেশী হেলাল বেপারী নামে একজন বলেন, দুই বাড়ির সীমানার মাঝখান দিয়ে আমরা এক সময় ভ্যানগাড়ি নিয়ে আসা যাওয়া করেছি। আমরাও চাই দুই বাড়ির মাঝখানে রাস্তার গাছ ও বেড়া অপসারণ করা হলে চলাচলের রাস্তা প্রসস্থ হবে। আবুল হোসেন মোল্লাসহ ভোক্তভোগীরা বলেন, যুগপযোগী রাস্তার অভাবে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। জাপানী বাড়ির আলমগীর
খান বলেছেন শাজাহান মোল্লা রাস্তা ছাড়লে সেও চাড়বে। শাজাহান মোল্লার স্বদইচ্ছা হলে সরু রাস্তাটির এই অংশটা প্রসস্ত হবে। বৃষ্টি বাদলের দিনে রাস্তার নাজুক পরিস্থিতির কারণে শিশু, বয়স্ক মানুষসহ সকলের অন্যদিক দিয়ে মানুষের বাড়ির ওপর দিয়ে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টজনদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা। এ বিষয়ে জানতে বাড়িতে গিয়ে শাজাহান মোল্লার সাক্ষাত পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বাঘড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু আল নাসের তানজিল মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমান জানান, রাস্তার অভাবে লোকজনের চলা ফেরায় ভোগান্তি হচ্ছে এটা সত্য। একাধিকবার বসা হয়েছিল সমাধান হয়নি। শাজাহান বাঁশের বেড়া দেওয়ায় রাস্তা সরু হয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই সবাইকে নিয়ে আবার বসবো। সকলের সুবিধার্থে রাস্তাটি চলাচলের যুগপযোগী করার লক্ষ্যে সরকারি বরাদ্দ চাইবো
Copyright © 2026 Munshi Ganjer Khobor. All rights reserved.