শুক্রবার সকালে সারা দেশে অনুভূত শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ২ জন শিশু। বিভিন্ন জেলায় আহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ।
ঢাকায় আরমানিটোলা এলাকার একটি ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে নিচে পড়ে তিনজন প্রাণ হারান। ঘটনাস্থলে থাকা আরও কয়েকজনও আহত হন। বংশাল থানার এসআই আশীষ কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ফায়ার সার্ভিস জানায়, কসাইটুলি এলাকার আটতলা ভবনের পাশের দেয়াল ও কার্নিশ ভেঙে পড়ে নিচে থাকা পথচারী ও ক্রেতারা আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহতদের পরিচয় সঙ্গে সঙ্গে জানা যায়নি।
নরসিংদীতে আতঙ্কে ভবন থেকে দ্রুত নেমে যাওয়ার চেষ্টায় দুইজন মারা যান এবং শতাধিক আহত হন। নিহতরা হলেন—চিনিশপুর ইউনিয়নের ওমর (১০) এবং পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের কাজেম আলী ভূঁইয়া (৭৫)। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল পড়ে আহত চারজনের মধ্যে ৮ বছর বয়সী হাফেজ ওমর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার বাবার অবস্থাও গুরুতর। কাজেম আলী ভূঁইয়া মাটির ঘর ধসে চাপা পড়ে মারা যান।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দেয়াল ধসে এক বছরের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি তরিকুল ইসলাম।
সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৭। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার পূর্বদিকে নরসিংদীর মাধবদী এলাকায়। ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।







