• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
মুন্সীগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩ ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের হাঁসাড়ায় বাইক-ট্রাক সংঘর্ষে  আহত ২ মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে কামরুজ্জামান রতনের পথসভা ও গণসংযোগ শ্রীনগরে ঘর থেকে বিকাশ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার সিরাজদিখান ঘুড়ি নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু টঙ্গীবাড়ীতে দেশীয় অস্ত্র ও গাঁজাসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার মুন্সীগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষায় প্রধান শিক্ষক সংকট: ভারপ্রাপ্তের উপর শিক্ষার দায়িত্ব মুন্সীগঞ্জে বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত র‌্যালি-আলোচনা সভা ও কম্বল বিতরণ মুন্সীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে জরিমানা বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতার বাড়ি ভাংচুর গজারিয়ায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফিউচার ক্যাডেট একাডেমীর মেধা যাচাই বৃত্তির পুরস্কার বিতরণ সরিষার হলুদে রঙিন মুন্সিগঞ্জ: কম খরচে বেশি লাভে কৃষকের মুখে হাসি এনআইডি তথ্য বাণিজ্যে ইসি কর্মচারী জড়িত, গ্রেপ্তার দুজন বাফুফে নারী লিগে মুন্সিগঞ্জের গর্ব আফরিন আক্তার মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের The Burnt Bite Restaurant সিলগালা শ্রীনগরে অগ্নিকান্ডে মুদি দোকান পুড়ে ছাই শ্রীনগরে বসত ঘরে চুরির অভিযোগ আলদি বাজারে অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা জেলা সাংস্কৃতিক জোট মুন্সীগঞ্জের আয়োজনে বর্ণিল পিঠা উৎসব

শ্রীনগরে নিমকি তৈরিতে জীবিক

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের নিমকি তৈরি ও বিক্রি করেছেন একটি পরিবার। উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের খ্রাহা গ্রামের বিলাশ ঘোষের পুত্র গোবিন্দ্র ঘোষ (৭৫) এ পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক গোবিন্দ্র ঘোষ ৬০ বছর ধরে নিমকিসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার সামগ্রী তৈরি করছেন। পিতার উত্তরসূরি হিসেবে পুত্র রতন ঘোষও এ ব্যবসায় করছেন। এক সময় নিজ বসতবাড়িতে নিমকি তৈরির সার্বিক কাজকর্ম করতেন তারা। দুই বছর ধরে স্থানীয় বাড়ৈখালী বাজার রাস্তার পাশে তাবু টাঙ্গিয়ে পিতা-পুত্র নিমকি তৈরি করছেন। সু-স্বাদু মুখরোচক এসব খাবার সামগ্রী খুচরা ও পাইকারী দরে বিক্রি করছেন তারা। দেখা গেছে, ইছামতি তীর ঘেঁষা বাড়ৈখালী বাজার সংলগ্ন পাকাঘাটের পাশে বসে নিমকি তৈরি ও ভাজার কাজ করছেন বৃদ্ধ গোবিন্দ্র ঘোষ। বয়সের ভারে তিনি এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন। জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন সূর্য আলো উকি দেয়ার আগেই গোবিন্দ্র ঘোষ ও পুত্র রতন ঘোষ নেমে পড়েন নিমকি তেরির কাজে। নিত্যপণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির ফলে নানা আকার ও সাইজের নিমকি বিক্রি করা হচ্ছে ২শ’ টাকা কেজি দরে। এছাড়া চানাচুর, মিষ্টি স্বাদযুক্ত গজার কেজি ২শ’ টাকা ও মুরলী, বুট ভাজার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১শ’ ৮০ টাকায়। করোনাকালীন সময়ে নিমকির প্রতি কেজি বিক্রি করা হত ১শ’ ২০ টাকা করে। এলাকাবাসী জানায়, গ্রাম গঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মজাদার নিমকি প্রস্তুতকারী হিসেবে এলাকায় গোবিন্দ্র ঘোষের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রামীণ মেলা-গোলইয়া ও ধর্মীয় বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে তার নিমকির ব্যাপক চাহিদা পড়ে। নিমকির বিশেষত্ব থাকায় ক্রেতারা তার দোকানে ভিড় জমান। কয়েক যুগ ধরে গোবিন্দ্র ঘোষ এ পেশায় আছেন। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় নিমকির কেনাবেচা অনেকাংশে কমেছে। গোবিন্দ্র ঘোষ বলেন, ময়দা, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ব্যবসায় খুব মন্দা যাচ্ছে। করোনাকালীন সময়েও নিমকির বিক্রির কোনও কমতি ছিলনা। এখন সব কিছুর দাম বৃদ্ধির ফলে নিম্নআয়ের মানুষের কাছে নিমকির চাহিদা কমেছে। বাজারে বসে দৈনিক গড়ে দেড়/দুই হাজার টাকার নিমকি বিক্রি হচ্ছে। এতে সংসার চালাতেই কষ্ট হচ্ছে। রতন ঘোষ বলেন, বাড়ৈখালী বাজারে তাদের কোন ভিটি নেই। তাই দৈনিক ১শ’ ২০ টাকা করে খাঁজনা দিতে হচ্ছে। বৃষ্টি বাদলের দিন এখানে বসে ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই বাজারের সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের কাছে অনুরোধ করেছি বাজারে একটি ভিটির ব্যবস্থা করে দিতে। তারা আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা