সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:মুন্সীগঞ্জের শিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর-সৈয়দপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও অভিযোগের মধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম নীরবের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার ওপর ঝুঁকে থাকা গাছটি দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচল ও মানুষের চলাফেরায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। একইসঙ্গে ওই এলাকার বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলেও চরম ভোগান্তি ছিল। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী হাসপাতালে নেওয়া, স্কুলগামী শিশুদের যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে মরদেহ বহনে দুর্ভোগ পোহাতে হতো এলাকাবাসীকে।এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গাছটি কাটা হয় এবং সেই কাঠ ব্যবহার করে একটি কাঠের ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহীন আলম বলেন, “মানুষের যাতায়াতে অনেক সমস্যা হতো। কয়েকদিন আগে দুইটা বাচ্চা পানিতে পড়ে যায়। জনগণের সুবিধার জন্য মেম্বার নিজস্ব অর্থায়নে উত্তর সৈয়দপুর ও শান্তিপুর সংযোগ খালের উপর ৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ব্রীজের কাজ শুরু করছে। পরে টাকার সংকট দেখা দিলে আমরা নিজেরাই বলেছি গাছটা কেটে ব্রীজে ব্যবহার করতে।”উত্তর সৈয়দপুর শান্তিপুর জামে মসজিদের সভাপতি মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান বলেন, “গাছটা রাস্তার ওপর নিচু হয়ে ছিল। গাড়ি চলাচলে সমস্যা হতো, দুর্ঘটনাও ঘটত। এলাকাবাসীর অনুরোধেই মেম্বার গাছটি কাটছে। এখন সেই কাঠ দিয়ে ব্রীজ করা হচ্ছে ও কেটে ফেলা গাছের জায়গার আশেপাশে আমরা ১০ টি চারা গাছ রোপন করে দিয়েছিএদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, একটি মহল বিষয়টিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, জনগণের চলাচলের সুবিধার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এলাকাবাসী দ্রুত ব্রীজ নির্মাণ কাজ সম্পন্নেরও দাবি জানিয়েছেন।