• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
Headline
পঞ্চসার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ গজারিয়ায় নিখোঁজের ৪ দিন পর মেঘনায় মরদেহ, আটক ৪ সিরাজদিখানে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় গ্রেফতার ৩ সরকারি গাছ কেটে ব্রীজ নির্মাণ, ইউপি সদস্যের পক্ষে এলাকাবাসীর সমর্থন! উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে জাতীয় শিক্ষা পদক পেলেন মো: জাহাঙ্গীর হোসেন  শ্রীনগরে চোরাইকৃত মালামালসহ হত্যা মামলার  আসামী গ্রেফতার  শ্রীনগরে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত  আসামী গ্রেফতার  মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ ভবনের সম্মুখভাগ সংস্কার কাজের উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে ১৯ মে শুরু তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা সংবাদ সম্মেলন মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে শব্দদূষণবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত, ৬ যানবাহনকে জরিমানা বৃষ্টির মধ্যে গরু আনতে গিয়ে গজারিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু লঞ্চ থেকে কল পেয়ে অসুস্থ শিশুকে চিকিৎসা দিতে হাজির কোস্টগার্ড শ্রীনগরে স্কুলছাত্র হত্যা মামলার আসামি আটক মুন্সীগঞ্জ আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের প্রার্থীতা বাতিল গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, মুন্সীগঞ্জে চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার খাসমহল বালুচর স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরন মুন্সীগঞ্জে আন্তঃজেলা বাইকচোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল জ্বালানি সংকটে থমকে গেছে দিঘীরপাড়ের জীবন: কর্মহীন ৫০০ মোটরসাইকেলচালক, দুর্ভোগে জনজীবন সাত বছর পর ফিরল লাক্স সুপারস্টার: মুকুট জিতলেন রাজশাহীর বিদুষী বর্ণিতা

সিরাজদীখানে আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক ও ব্যবসায়ী: হিমাগারে পড়ে লোকসানের আলু

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

দেশের অন্যতম আলু উৎপাদন অঞ্চল মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে গত মৌসুমে দাম বৃদ্ধির আশায় বিপুল পরিমাণ আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বাজারে দাম না বাড়ায় এখন সেই আলুই পরিণত হয়েছে বড় বোঝায়। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে হিমাগারের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তবুও অনেকেই আলু তুলতে আগ্রহী নন—কারণ বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) গড়ে ৭৫০ টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, সিরাজদীখানের ১০টি হিমাগারে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৬৩ হাজার বস্তা আলু মজুত রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩৮ হাজার টন। প্রতি বস্তায় গড়ে ৭৫০ টাকা ক্ষতি ধরা হলে মোট লোকসানের অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন ঝন্টু জানান, তিনি ছয় হাজার বস্তা আলু রেখেছিলেন; এর মধ্যে পাঁচ হাজার বস্তা এখনও বিক্রি হয়নি। প্রতিবস্তা ১,১০০ টাকা খরচ পড়ে, অথচ বিক্রি করলে ৯০০ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে। ফলে তিনি প্রায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে।

ইছাপুরার ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান হীরা বলেন, ২,৭০০ বস্তা আলু সংরক্ষণ করে তিনি ১৩ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অন্যদিকে কৃষক জালাল উদ্দিন জানান, এখন বাজারে আলুর দাম কেজিপ্রতি ৮–৯ টাকা, যেখানে উৎপাদন খরচই এর চেয়ে বেশি।

হিমাগার মালিকরা বলছেন, সরকার কেজিপ্রতি ২২ টাকা দাম নির্ধারণ করলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় দাম ক্রমেই কমছে, এতে কৃষক ও হিমাগার উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, এ বছর আলুর বাম্পার ফলনের কারণে দাম কমেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে প্রচারণা চলছে, তবে বাজারে চাহিদা না থাকায় দাম বাড়ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা