• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
পঞ্চসার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ গজারিয়ায় নিখোঁজের ৪ দিন পর মেঘনায় মরদেহ, আটক ৪ সিরাজদিখানে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় গ্রেফতার ৩ সরকারি গাছ কেটে ব্রীজ নির্মাণ, ইউপি সদস্যের পক্ষে এলাকাবাসীর সমর্থন! উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে জাতীয় শিক্ষা পদক পেলেন মো: জাহাঙ্গীর হোসেন  শ্রীনগরে চোরাইকৃত মালামালসহ হত্যা মামলার  আসামী গ্রেফতার  শ্রীনগরে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত  আসামী গ্রেফতার  মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ ভবনের সম্মুখভাগ সংস্কার কাজের উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে ১৯ মে শুরু তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা সংবাদ সম্মেলন মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে শব্দদূষণবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত, ৬ যানবাহনকে জরিমানা বৃষ্টির মধ্যে গরু আনতে গিয়ে গজারিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু লঞ্চ থেকে কল পেয়ে অসুস্থ শিশুকে চিকিৎসা দিতে হাজির কোস্টগার্ড শ্রীনগরে স্কুলছাত্র হত্যা মামলার আসামি আটক মুন্সীগঞ্জ আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের প্রার্থীতা বাতিল গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, মুন্সীগঞ্জে চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার খাসমহল বালুচর স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরন মুন্সীগঞ্জে আন্তঃজেলা বাইকচোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল জ্বালানি সংকটে থমকে গেছে দিঘীরপাড়ের জীবন: কর্মহীন ৫০০ মোটরসাইকেলচালক, দুর্ভোগে জনজীবন সাত বছর পর ফিরল লাক্স সুপারস্টার: মুকুট জিতলেন রাজশাহীর বিদুষী বর্ণিতা

গজারিয়ায় দুই বছর না যেতেই দেবে গেছে সেতু

Reporter Name / ১৪৬ Time View
Update : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪

গজারিয়ায় নির্মাণের দুই বছর যেতে না যেতেই সেতুর একাংশ দেবে গেছে। এতে গচ্চা গেছে সরকারের প্রায় ৩২ লাখ টাকা। চার বছর আগে মাটি সরে গিয়ে সেতুটি দেবে গেলেও এখন পর্যন্ত মেরামত করা হয়নি। ফলে দীর্ঘ পথ ঘুরে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ওই এলাকার হাজার হাজারো মানুষ।

ভাঙ্গা সেতুটি উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের বড় কালীপুরা গ্রামের সরকার বাড়ী সংলগ্ন খালের ওপর।

জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বড় কালীপুরা-তনু সরকার কান্দী সড়কের বড় কালীপুরা গ্রাম সংলগ্ন খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর। এতে খরচ হয় ৩২ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৬ টাকা। প্রায় চার বছর আগে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে সেতুটির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সেতুটি দেবে গিয়ে সংযোগ সড়ক থেকে বিছিন্ন হয়ে যায়। এরপর আর সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সরজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের তনু সরকার কান্দী ও বড় কালীপুরাসহ পাশাপাশি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সড়কের সেতুটির এক অংশ ওপরে দিকে আরেক অংশ নিচে দেবে গেছে। অনেক জায়গায় রড বের হয়ে আছে।

বিষয়টি নিয়ে বড় কালীপুরা গ্রামের আলী হোসেন বলেন, চার বছর আগে বন্যার সময় সেতু ভেঙে গেছে। এখন যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছে। যেকোনও প্রয়োজনে গন্তব্যে যেতে অনেক পথ ঘুরতে হয়। এই সেতু ভাঙ্গা থাকায় ছেলে মেয়েরাও ঠিকমতো স্কুলে যেতে পারছে না। দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা নির্মিত হলে ভোগান্তি লাঘব হতো।

বড় কালীপুরা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজিজুল হোসেন বলেন, আমরা নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে যেতে পারছি না। অনেক পথ ঘুরে বিদ্যালয় যেতে হয়। এলাকার প্রায় সব রাস্তাঘাট পাকা হলেও শুধু একটি সেতুর অভাবে পিছিয়ে যাচ্ছি। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু ছাঈদ মল্লিক বলেন, ‘সেতুটি নতুন করে নির্মাণ করার জন্য বরাদ্দ চেয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। এখনও বরাদ্দ মেলেনি।’

বরাদ্দ পেলেই ওই স্থানে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

-সংগৃহীত


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা